আসুন ন্যানোপ্রযুক্তি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই

ন্যানোপ্রযুক্তি কী?

ন্যানো একটি মাপার একক। ম্যাট্রিক একক এর শুরুটা হয়েছিল ১৭৯০ সনে ফ্রান্সে। ফ্রান্স জাতীয় পরিষদ এককগুলিকে সাধারণ করবার জন্য কমিটি গঠন করে এবং তারাই প্রথম ডেসিমাল কিংবা দশ একক এর ম্যাট্রিক পদ্ধতির প্রস্তাব করেন। এবং দৈর্ঘ্যের একক এক মিটার এর সূচনা করেন। তারা পৃথিবীর পরিধির ৪০,০০০,০০০ ভাগের এক ভাগকে এক মিটার বলেন। মিটার শব্দটি গ্রিক শব্দ metron থেকে এসেছে যার অর্থ হল, পরিমাপ। এছাড়া মিটার এর ১০০ ভাগের এক ভাগকে সেন্টিমিটার বলা হয়। ১৭৯৩ সনে ফ্রান্সে আইন করে তা প্রচলন করা হয়। ১৯৬০ সনে এই মিটার এর সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হয়। ক্রিপটন ৮৬ এর কমলারঙের রেডিয়েশন এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ১,৬৫০,৭৬৩.৭৩ ভাগের এক ভাগকে মিটার বলা হয়। ১৯৮৩ সনে মিটার এর সংজ্ঞা পুনরায় পরিবর্তিত করা হয়, বর্তমান সংজ্ঞা অণুযায়ী, বায়ুশুন্যে আলোর গতির ২৯৯,৭৯২,৪৫৮ ভাগের এক ভাগকে মিটার বলা হয়। এই মিটার এর ১,০০০,০০০,০০০ (১০০ কোটি) ভাগের এক ভাগকে ন্যানোমিটার বলা হয়। ন্যানো শব্দটি গ্রিক nanos শব্দ থেকে এসেছে যার অভিধানিক অর্থ হল dwarft কিন্তু এটি মাপের একক হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এই ন্যানোমিটার স্কেলে যে সমস্ত টেকনোলজি গুলি সর্ম্পকিত সেগুলিকেই বলে ন্যানোপ্রযুক্তি।
মিটার এককটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িত। বাড়িঘর আসবাবপত্র সবই আমরা মাপি এই মিটার এককে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত মিলিমটার স্কেলে যন্ত্রপাতির সূক্ষতা মাপা হত। মিলিমিটার এর ছোট কোন কিছু নিয়ে চিন্তা ভাবনার অবকাশ ছিলনা। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পরে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এক নতুন যুগের সূচনা হল। সেমিকণ্ডাকটর তার পথযাত্রা শুরু করল। আর এর শুরুটা হল, ট্রানজিস্টর আবিষ্কার দিয়ে। তখন মাইক্রোমিটার একক দিয়ে আমাদের চিন্তভাবনা শুরু হল। বলা যায় যাত্রা শুরু হল, মাইক্রোটেকনোলজির।
এর পরে টেকনোলজি এগুতে লাগলো প্রচন্ড গতিতে। নানা জিনিসপত্র, যার মধ্যে টেলিভিশন, রেডিও, ফ্রিজ ইত্যাদি ইত্যাদি। আর তা কিভাবে আরো ছোট করা যায় তা নিয়েই প্রচন্ত যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। কোন কম্পানি কত ছোট আকারের এই সমস্ত ভোগ্য জিনিস আমাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে, তার প্রতিযোগীতা শুরু হল। আর এই সমস্ত ব্যাপারটা সম্ভব হল, সেমিকণ্ডাকটর সংক্রান্ত প্রযুক্তির কল্যাণে। প্রথম দিকের রেডিও কিংবা টিভির আকার দেখলে আমাদের এখন হাসি পাবে। এত বড় বড় জিনিস মানুষ ব্যাবহার করত কিভাবে? সেই প্রশ্নটি হয়তো এসে দাড়াবে। কিন্তু এখন বাজারে দেয়ালে ঝুলাবার জন্য ক্যালেন্ডারের মত পাতলা টিভি এসেছে। সামনে হয়তো আরো ছোট আসবে।
১৯৮০ সনে IBM এর গবেষকরা প্রথম আবিষ্কার করেন STM(Scanning Tunneling Microscope) এই যন্ত্রটি দিয়ে অণুর গঠন পর্য়ন্ত দেখা সম্ভব। এই যন্ত্রটির আবিষ্কারই ন্যানোপ্রযুক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছে। কিভাবে কাজ করে এই STM। এই যন্ত্রে খুব সূক্ষ পিনের মত সুচাল টিপ আছে এবং তা যখন কোন পরিবাহী বস্তুর খুব কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তা থেকে টানেলিং নামে খুব অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়। এবং এই বিদ্যুৎ এর পরিমাণ দিয়েই সেই বস্তুটির বাহিরের স্তরের অণুর চিত্র তৈরি করা হয়। তবে এই STM এর ক্ষেত্রে যা দেখতে চাইবো তাকে অবশ্যই বিদ্যুৎ পরিবাহী হতে হবে। কিন্তু বিদ্যুৎ অপরিবাহীর অণুর গঠন কিভাবে দেখা যাবে? না মানুষ বসে থাকেনি। অসম্ভবকে সম্ভব করেই মানুষ যেভাবে এতদূর এসেছে, তেমনি ভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করা গেল AFM দিয়ে। STM এর ক্ষেত্রে টানেলিং বিদ্যুৎ দিয়ে কাজ করা হয় এবং AFM দিয়ে সুক্ষ্ম পিন দিয়ে অণুর গঠন দেখা সম্ভব।

ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবসায়

ন্যানোটেকনলজির ভিত্তিতে অনেক অনেক নতুন নতুন টেকনলজির উদ্ভব হচ্ছে। নতুন নতুন দ্রব্য এর সূচনা করছে এবং সেই সাথে ব্যবসায়িক সুযোগের দ্বার উন্মোচন করছে। আশা করা হচ্ছে যে আমেরিকাতে ২০১০ সনের আগে ন্যানোটেকনলজি সম্পর্কিত পণ্যের বাজার ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌছবে এবং ৮ লক্ষ নতুন চাকরির সুযোগ করে দেবে। ন্যানোটেকনলজির গুরুত্বের কথা চিন্তা করে আমেরিকার সরকার বর্তমানে ন্যানোটেকনলজি সংক্রান্ত গবেষণাতে ২০০০ খ্রিস্টাব্দে ৪২২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে ৭১০ মিলিয়ন ডলার ব্যবহৃত হয়েছিল। শুধু সরকারই নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও ন্যানোটেকনলজি গবেষণায় অর্থ সরবরাহ করছে। তার কারণ হল: ন্যানোটেকনলজি সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে যাচ্ছে। যদিও ন্যানোটেকনলজি খুব ক্ষুদ্র টেকনলজি সংক্রান্ত জিনিসগুলি নিয়ে কাজ করে যার ব্যাস একটি চুলের ব্যাসের ৮০ হাজার ভাগের এক ভাগ, কিন্তু এর ক্ষেত্র দিন দিন আরো বর্ধিত হচ্ছে। ১৯৯৬ সনের নোবেল পুরষ্কারে সম্মানিত রিচার্ড স্মলি বলেছেন,
The impact of nanotechnology on the health, wealth and lives of people will be at least the equivalent of the combined influences of microelectronics, medical imaging, computer-aided engineering and man-made polymers in the twentieth centure.

আসুন সমৃদ্ধ করি বাংলা উইকিপেডিয়া

প্রতিটি মানুষী মেধাবী ,পত্তেকেই কোনো না  কোনো  বিষয়ে পারদর্শ   হয়ে থাকেন  ,পৃথিবীর সকল মানুষের প্রচেষ্টায় এমন একটি গেয়ান  ভান্ডার তৈরী করা সম্ভব যেখানে প্রতিটি বিসয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে  ! এই মূল মন্ত্রের উপর  ভিত্তি করেই তৈরী করা হয়েছে উইকিপেডিয়া নামের একটি বিশ্বকোষ . বাংলা সহ বর্তমানে মোট ২৭০ টিরও বেশি ভাষায় উইকিপেডিয়া রয়েছে . এসব বিশ্ব কোষের নিবন্ধন সংখা প্রায় 1 কোটি 60 লক্ষ্য . বাংলা wikipediar web site  -http://bn.wikipedia.org আসুন নিজে পরি ও অন্য কে পড়তে উত্সাহ  করি .
                                                                                                 -হুসাইন আহমাদ 

কিভাবে স্ক্রীন শট নিবেন! তাও আবার সফটওয়ার ছাড়া!উইন্ডোজ ৭ এ

কিভাবে আপনি স্ক্রীন শট নিবেন তাও আবার সফটওয়ার ছাড়া!!! এই টা শুধু মাত্র উইন্ডোজ ৭ যারা ব্যবহার করে তারা পারবেন!
নতুনদের উপকারে আসবে অবশ্য!
তো চলেন দেখা যাক!
প্রথম এ ——>all program এ যান—->accessories  এ যান তারপর —->Snipping tools এ যান!


স্ক্রীন শট নেওয়ার পর
তারপর সেভ করে নেন !
কি? খুব সহজ না?
ধন্যবাদ!


               -হোসাইন আহমাদ 

১০ নোটপ্যাড টিপস না দেখলে করবেন মিস

লিখেছেন- হোসাইন আহমাদ 
নোটপ্যাড এর কিছু ছোট টিপস জা দিয়া আপনার বন্ধুর সাথে মোজা করতে অথবা তাকে বিপদে ফেলতে পারেন।নিজের কম্পিউটার   চেষ্টা করে বিপদে পরলে আমি দায়ি থাকব না।কার ক্ষতি করবেন না।তাহলে দেখেন
১।Cycle message আপনার বন্ধুর কম্পিউটার
নীচের কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড
@ECHO off
:Begin
msg * Hi
msg * Are you having fun?
msg * I am!
msg * Lets have fun together!
msg * Because you have been o-w-n-e-d
GOTO BEGIN
Save করেন pc.bat নামে
২।কীবোর্ড কী AUTO কাজ করবে
MsgBox “stop me..! if you can”
Set wshShell =wscript.CreateObject(“WScript.Shell”)
do
wscript.sleep 100
wshshell.sendkeys “{bs}”
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৩। কম্পিউটার shut down হইয়া যাবে
@echo off
msg * I don’t like you
shutdown -c “Hahahah You are Doomed” -s
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.bat নামে
৪। Caps Lock button কাজ করবে AUTO
Set wshShell =wscript.CreateObject(“WScript.Shell”)
do
wscript.sleep 100
wshshell.sendkeys “{CAPSLOCK}”
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৫। Enter কাজ করবে AUTO
Set wshShell = wscript.CreateObject(“WScript.Shell”)
do
wscript.sleep 100
wshshell.sendkeys “~(enter)”
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৬।কীবোর্ড হ্যাক  দেখাবে “You are a fool”
Set wshShell = wscript.CreateObject(“WScript.Shell”)
do
wscript.sleep 100
wshshell.sendkeys “You are a fool.”
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৭।ধীরে ধীরে Notepad ওপেন হবে লেখা আসবে।
WScript.Sleep 180000
WScript.Sleep 10000
Set WshShell = WScript.CreateObject(“WScript.Shell”)
WshShell.Run “notepad”
WScript.Sleep 100
WshShell.AppActivate “Notepad”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “Hel”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “lo “
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “, ho”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “w a”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “re “
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “you”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “? “
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “I a”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “m g”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “ood”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys ” th”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “ank”
WScript.Sleep 500
WshShell.SendKeys “s! “
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৮।Backspace কী কাজ করবে AUTO
MsgBox “Let’s rock and roll”
Set wshShell =wscript.CreateObject(“WScript.Shell”)
do
wscript.sleep 100
wshshell.sendkeys “{bs}”
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে
৯।একের পর এক নোটপ্যাড খোলবে
@ECHO off
:top
START %SystemRoot%system32notepad.exe
GOTO top
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.bat নামে
১০।ক্রমাগত  CD অথবা DVD ড্রাইভ পপ আউট হবে
Set oWMP = CreateObject(“WMPlayer.OCX.7″)
Set colCDROMs = oWMP.cdromCollection
do
if colCDROMs.Count >= 1 then
For i = 0 to colCDROMs.Count – 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
For i = 0 to colCDROMs.Count – 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
End If
wscript.sleep 5000
loop
কোড গোলো COPY করেন নোটপ্যাড   Save করেন pc.vbs নামে

মুক্ত জীবন


যদিও একধরণের আত্মবিশ্বাস থেকে উপচে পড়া
স্বপ্নের কাছে পর্যুদস্ত আমার আত্মাটা
হতাশায় কিংবা ক্ষোভে,অভিমানে কিংবা লজ্জায়
এক ধরনের বিচ্ছিন্নতা অনুভব করে
চলে যেতে চায় এই জনবহুল লোকালয় থেকে বহুদূর
যেখানে নেই কোন বিচ্ছেদ,হাহাকার,কিংবা প্রতীক্ষমান নিরাশার গুঞ্জন।
অনেক স্বপ্ন ,অনেক স্মৃতিবিস্মৃতির অনির্বাণ কোন্দল থেকে পাব মুক্তি।
সমাধি হয়ে রব নতুন কোন অনুসন্ধিৎসু চেতনায়-
পার্থিব থেকে পারমার্থিক উপলব্দির হবে বিকাশ

হয়তবা বঞ্চিত হব
সাময়িক আনন্দ আর স্থায়ী বিষাদের উষ্ণ অনুভূতি থেকে
হোঁচট খেতে খেতে থমকে পড়া একটা নিথর জীবনের ভগ্নাংশটুকু-
উপভোগ করার ক্ষুদ্র প্রয়াস থেকে


তারপরও সেটাই ভালো
এক পাহাড়ি উপত্যকায়
প্রবাহিত ঝর্ণায় কিংবা
শ্বেতশুভ্র বরফের পর সোনালি আলোর অপূর্ব কারুকাজ।
কিংবা ঘনকুয়াশার ভেতর থেকে উঠে আসা
ক্রমশ প্রকৃতির অনিন্দ্যতার বহিঃপ্রকাশ।


প্রায়ই পৌরাণিক কিংবা বৈদিক যুগের মুনিঋষিদের মত
হব আমি।
আমি উপভোগ করব
নির্মল বায়ু, নির্মল অনুভূতি,
ওই দূর আকাশ থেকে
এই পৃথিবির যা কিছু সুন্দর ,স্বচ্ছ আবরনে ঢাকা
তারপর হয়ত একদিন পেয়ে যাব নতুন কাউকে-
আমার মত।
এক নতুন সংস্কৃতি, নতুন পরিবেশ,আলাদা সভ্যতার হবে অভূ্ৎদয়।
আর যারা পেতে চায় জীবনের অজানা ঋন থেকে মুক্তি
তাদের প্রচেষ্টার হবে জয়

Facebook Twitter RSS